ওঁ নিলাঞ্জনচয় প্রখ্যং রবিসূনুং মহাগ্রহং ছায়ায়াগর্ভস্মভুতং বন্দেভক্তাশনৈশ্চরম ।। ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনিশ্চরায়
শনি মহারাজ , হনূমান দেব
Saturday, 14 October 2017
গ্রহ শান্তি : জয় শনি দেব
গ্রহ শান্তি : জয় শনি দেব: শনির দৃষ্টি’ শব্দবন্ধটি মোটেই শ্রুতিসুখকর কিছু নয়। সাধারণত, এর দ্বারা দুর্ভাগ্যের এক বিশেষ পর্বকে বোঝেন হিন্দুরা। অথচ পুরাণ অনুযায়ী শনিদ...
Monday, 18 September 2017
পঞ্চ মুখী হনুমান স্তোত্র
श्रीगणेशाय नमः ।
ॐ श्री पञ्चवदनायाञ्जनेयाय नमः । ॐ अस्य श्री
पञ्चमुखहनुमन्मन्त्रस्य ब्रह्मा ऋषिः ।
गायत्रीछन्दः । पञ्चमुखविराट् हनुमान्देवता । ह्रीं बीजं ।
श्रीं शक्तिः । क्रौं कीलकं । क्रूं कवचं । क्रैं अस्त्राय फट् ।
इति दिग्बन्धः ।
श्री गरुड उवाच ।
अथ ध्यानं प्रवक्ष्यामि श्रृणुसर्वाङ्गसुन्दरि ।
यत्कृतं देवदेवेन ध्यानं हनुमतः प्रियम् ॥ १॥
पञ्चवक्त्रं महाभीमं त्रिपञ्चनयनैर्युतम् ।
बाहुभिर्दशभिर्युक्तं सर्वकामार्थसिद्धिदम् ॥ २॥
पूर्वं तु वानरं वक्त्रं कोटिसूर्यसमप्रभम् ।
दन्ष्ट्राकरालवदनं भृकुटीकुटिलेक्षणम् ॥ ३॥
अस्यैव दक्षिणं वक्त्रं नारसिंहं महाद्भुतम् ।
अत्युग्रतेजोवपुषं भीषणं भयनाशनम् ॥ ४॥
पश्चिमं गारुडं वक्त्रं वक्रतुण्डं महाबलम् ॥
सर्वनागप्रशमनं विषभूतादिकृन्तनम् ॥ ५॥
उत्तरं सौकरं वक्त्रं कृष्णं दीप्तं नभोपमम् ।
पातालसिंहवेतालज्वररोगादिकृन्तनम् ॥ ६॥
ऊर्ध्वं हयाननं घोरं दानवान्तकरं परम् ।
येन वक्त्रेण विप्रेन्द्र तारकाख्यं महासुरम् ॥ ७॥
जघान शरणं तत्स्यात्सर्वशत्रुहरं परम् ।
ध्यात्वा पञ्चमुखं रुद्रं हनुमन्तं दयानिधिम् ॥ ८॥
खड्गं त्रिशूलं खट्वाङ्गं पाशमङ्कुशपर्वतम् ।
मुष्टिं कौमोदकीं वृक्षं धारयन्तं कमण्डलुम् ॥ ९॥
भिन्दिपालं ज्ञानमुद्रां दशभिर्मुनिपुङ्गवम् ।
एतान्यायुधजालानि धारयन्तं भजाम्यहम् ॥ १०॥
प्रेतासनोपविष्टं तं सर्वाभरणभूषितम् ।
दिव्यमाल्याम्बरधरं दिव्यगन्धानुलेपनम् ॥ ११॥
सर्वाश्चर्यमयं देवं हनुमद्विश्वतोमुखम् ।
पञ्चास्यमच्युतमनेकविचित्रवर्णवक्त्रं
शशाङ्कशिखरं कपिराजवर्यम ।
पीताम्बरादिमुकुटैरूपशोभिताङ्गं
पिङ्गाक्षमाद्यमनिशं मनसा स्मरामि ॥ १२॥
मर्कटेशं महोत्साहं सर्वशत्रुहरं परम् ।
शत्रु संहर मां रक्ष श्रीमन्नापदमुद्धर ॥ १३॥
ॐ हरिमर्कट मर्कट मन्त्रमिदं
परिलिख्यति लिख्यति वामतले ।
यदि नश्यति नश्यति शत्रुकुलं
यदि मुञ्चति मुञ्चति वामलता ॥ १४॥
ॐ हरिमर्कटाय स्वाहा ।
ॐ नमो भगवते पञ्चवदनाय पूर्वकपिमुखाय
सकलशत्रुसंहारकाय स्वाहा ।
ॐ नमो भगवते पञ्चवदनाय दक्षिणमुखाय करालवदनाय
नरसिंहाय सकलभूतप्रमथनाय स्वाहा ।
ॐ नमो भगवते पञ्चवदनाय पश्चिममुखाय गरुडाननाय
सकलविषहराय स्वाहा ।
ॐ नमो भगवते पञ्चवदनायोत्तरमुखायादिवराहाय
सकलसम्पत्कराय स्वाहा ।
ॐ नमो भगवते पञ्चवदनायोर्ध्वमुखाय हयग्रीवाय
सकलजनवशङ्कराय स्वाहा ।
ॐ अस्य श्री पञ्चमुखहनुमन्मन्त्रस्य श्रीरामचन्द्र
ऋषिः । अनुष्टुप्छन्दः । पञ्चमुखवीरहनुमान् देवता ।
हनुमानिति बीजम् । वायुपुत्र इति शक्तिः । अञ्जनीसुत इति कीलकम् ।
श्रीरामदूतहनुमत्प्रसादसिद्ध्यर्थे जपे विनियोगः ।
इति ऋष्यादिकं विन्यसेत् ।
ॐ अञ्जनीसुताय अङ्गुष्ठाभ्यां नमः ।
ॐ रुद्रमूर्तये तर्जनीभ्यां नमः ।
ॐ वायुपुत्राय मध्यमाभ्यां नमः ।
ॐ अग्निगर्भाय अनामिकाभ्यां नमः ।
ॐ रामदूताय कनिष्ठिकाभ्यां नमः ।
ॐ पञ्चमुखहनुमते करतलकरपृष्ठाभ्यां नमः ।
इति करन्यासः ।
ॐ अञ्जनीसुताय हृदयाय नमः ।
ॐ रुद्रमूर्तये शिरसे स्वाहा ।
ॐ वायुपुत्राय शिखायै वषट् ।
ॐ अग्निगर्भाय कवचाय हुम् ।
ॐ रामदूताय नेत्रत्रयाय वौषट् ।
ॐ पञ्चमुखहनुमते अस्त्राय फट् ।
पञ्चमुखहनुमते स्वाहा ।
इति दिग्बन्धः ।
अथ ध्यानम् ।
वन्दे वानरनारसिंहखगराट्क्रोडाश्ववक्त्रान्वितं
दिव्यालङ्करणं त्रिपञ्चनयनं देदीप्यमानं रुचा ।
हस्ताब्जैरसिखेटपुस्तकसुधाकुम्भाङ्कुशाद्रिं हलं
खट्वाङ्गं फणिभूरुहं दशभुजं सर्वारिवीरापहम् ।
अथ मन्त्रः ।
ॐ श्रीरामदूतायाञ्जनेयाय वायुपुत्राय महाबलपराक्रमाय
सीतादुःखनिवारणाय लङ्कादहनकारणाय महाबलप्रचण्डाय
फाल्गुनसखाय कोलाहलसकलब्रह्माण्डविश्वरूपाय
सप्तसमुद्रनिर्लङ्घनाय पिङ्गलनयनायामितविक्रमाय
सूर्यबिम्बफलसेवनाय दुष्टनिवारणाय दृष्टिनिरालङ्कृताय
सञ्जीविनीसञ्जीविताङ्गदलक्ष्मणमहाकपिसैन्यप्राणदाय
दशकण्ठविध्वंसनाय रामेष्टाय महाफाल्गुनसखाय सीतासहित-
रामवरप्रदाय षट्प्रयोगागमपञ्चमुखवीरहनुमन्मन्त्रजपे विनियोगः ।
ॐ हरिमर्कटमर्कटाय बंबंबंबंबं वौषट् स्वाहा ।
ॐ हरिमर्कटमर्कटाय फंफंफंफंफं फट् स्वाहा ।
ॐ हरिमर्कटमर्कटाय खेंखेंखेंखेंखें मारणाय स्वाहा ।
ॐ हरिमर्कटमर्कटाय लुंलुंलुंलुंलुं आकर्षितसकलसम्पत्कराय स्वाहा ।
ॐ हरिमर्कटमर्कटाय धंधंधंधंधं शत्रुस्तम्भनाय स्वाहा ।
ॐ टंटंटंटंटं कूर्ममूर्तये पञ्चमुखवीरहनुमते
परयन्त्रपरतन्त्रोच्चाटनाय स्वाहा ।
ॐ कंखंगंघंङं चंछंजंझंञं टंठंडंढंणं
तंथंदंधंनं पंफंबंभंमं यंरंलंवं शंषंसंहं
ळंक्षं स्वाहा ।
इति दिग्बन्धः ।
ॐ पूर्वकपिमुखाय पञ्चमुखहनुमते टंटंटंटंटं
सकलशत्रुसंहरणाय स्वाहा ।
ॐ दक्षिणमुखाय पञ्चमुखहनुमते करालवदनाय नरसिंहाय
ॐ ह्रां ह्रीं ह्रूं ह्रैं ह्रौं ह्रः सकलभूतप्रेतदमनाय स्वाहा ।
ॐ पश्चिममुखाय गरुडाननाय पञ्चमुखहनुमते मंमंमंमंमं
सकलविषहराय स्वाहा ।
ॐ उत्तरमुखायादिवराहाय लंलंलंलंलं नृसिंहाय नीलकण्ठमूर्तये
पञ्चमुखहनुमते स्वाहा ।
ॐ उर्ध्वमुखाय हयग्रीवाय रुंरुंरुंरुंरुं रुद्रमूर्तये
सकलप्रयोजननिर्वाहकाय स्वाहा ।
ॐ अञ्जनीसुताय वायुपुत्राय महाबलाय सीताशोकनिवारणाय
श्रीरामचन्द्रकृपापादुकाय महावीर्यप्रमथनाय ब्रह्माण्डनाथाय
कामदाय पञ्चमुखवीरहनुमते स्वाहा ।
भूतप्रेतपिशाचब्रह्मराक्षसशाकिनीडाकिन्यन्तरिक्षग्रह-
परयन्त्रपरतन्त्रोच्चटनाय स्वाहा ।
सकलप्रयोजननिर्वाहकाय पञ्चमुखवीरहनुमते
श्रीरामचन्द्रवरप्रसादाय जंजंजंजंजं स्वाहा ।
इदं कवचं पठित्वा तु महाकवचं पठेन्नरः ।
एकवारं जपेत्स्तोत्रं सर्वशत्रुनिवारणम् ॥ १५॥
द्विवारं तु पठेन्नित्यं पुत्रपौत्रप्रवर्धनम् ।
त्रिवारं च पठेन्नित्यं सर्वसम्पत्करं शुभम् ॥ १६॥
चतुर्वारं पठेन्नित्यं सर्वरोगनिवारणम् ।
पञ्चवारं पठेन्नित्यं सर्वलोकवशङ्करम् ॥ १७॥
षड्वारं च पठेन्नित्यं सर्वदेववशङ्करम् ।
सप्तवारं पठेन्नित्यं सर्वसौभाग्यदायकम् ॥ १८॥
अष्टवारं पठेन्नित्यमिष्टकामार्थसिद्धिदम् ।
नववारं पठेन्नित्यं राजभोगमवाप्नुयात् ॥ १९॥
दशवारं पठेन्नित्यं त्रैलोक्यज्ञानदर्शनम् ।
रुद्रावृत्तिं पठेन्नित्यं सर्वसिद्धिर्भवेद्ध्रुवम् ॥ २०॥
निर्बलो रोगयुक्तश्च महाव्याध्यादिपीडितः ।
कवचस्मरणेनैव महाबलमवाप्नुयात् ॥ २१॥
॥ इति श्रीसुदर्शनसंहितायां श्रीरामचन्द्रसीताप्रोक्तं
श्रीपञ्चमुखहनुमत्कवचं सम्पूर्ण
Friday, 15 September 2017
Wednesday, 28 June 2017
Monday, 26 June 2017
Saturday, 24 June 2017
Tuesday, 6 June 2017
Thursday, 25 May 2017
Thursday, 18 May 2017
Monday, 6 March 2017
Monday, 20 February 2017
শনির সাড়ে সাতি
শনির সাড়ে সাতি
সূর্যপুত্র দীর্ঘদেহ বিশাললক্ষ্য শিব প্রিয় ।মন্দচার প্রস্ননাত্মা পীড়া দহতুমেশনি ।।
সৃষ্টি র প্রারম্ভ থেকে অতন্ত দীন হীন আর উপেক্ষিত ছিলেন । নবগ্রহ পরিবারে তার স্থান ছিল চাকরের । বৈদিক কালে সব মানুষ সূর্য উপাসনা করত । নৈসরগিক পাপ প্রকৃতির জন্য শনির কোন খ্যাতি ছিল না । রাজপুত্র হবার পরও তার কোন সন্মান ছিল না । এই অপমানের জন্য তিনি শিব আরাধনা শুরু করেন । শনির কর্তব্য নিষ্ঠা ও ভক্তির জন্য ভগবান শিব তাকে যশস্বী হবার বর প্রদান করেন । শনি দেব ভগবান শিবের অত্বন্ত প্রিয় । শনি কে শিব প্রিয় বলা হয় । শনি গ্রহের আকৃতি শিব লিঙ্গের মত দেখায় । কারন উপাসক উপাস্যের গুন প্রাপ্ত হয় ।
প্রারব্ধ কর্মের শুভ ফল সমস্ত গ্রহ দেয় , কিন্তু ভগবান শিব শনি দেব কে বিশেষ করে তার সঞ্চিত পাপ কর্মের ফল দেবার অধিকার দিয়েছেন । এই জন্য শনি দেবকে দণ্ডাধিকারি , ন্যায়াধীশ বলা হয় । মৃত্যু দেবতা যমরাজের দুত । মানুষ কে ত্রাস রাখতে সক্ষম । এই জন্য শনি দেব কে দুর্ভাগ্য দেবার গ্রহ বলা হয় । বাস্তবে শনি দেব ন্যায়ের দেবতা । মানুষের দুঃখের কারন তার খারাপ কর্ম । ন্যায়াধীশ হবার জন্য তিনি পাপ কর্মের আধারে বর্তমান জন্মে তিনি দণ্ড দেন । পূর্ব কর্মের অশুভ কাজের ফল প্রদান শনি দেব নিমিত্ত মাত্র । প্রধান কারন তার কর্ম ফল ।
এক পরিবারে কয়েক জন সদস্য শনির সাড়ে সাতি বা ঢৈইয়া দ্বারা প্রভাবিত হলে পরিবারের প্রধান বা বাড়ির জ্যৈষ্ঠ ব্যাক্তি শনিদেবের আরাধনা করলে সবাই সেই লাভ পেতে পারে । এই পরিস্থিতি মুক্তি পেতে পরিবারের জ্যৈষ্ঠ ব্যক্তি পুজা অর্চনা করা উচিত । প্রত্যেক শনিবার শনি মূর্তির ডান বা বাম দিকে তিল এর প্রদীপ জ্বালিয়ে শনি চলিশা নিত্য পাঠ করা উচিত । পরিবারের সমস্ত সদস্য কে শনি দেব এর কৃপা প্রাপ্তির প্রার্থনা করা উচিত ।
শনির সাড়ে সাতি তে শনি মহারাজ কেমন ফল দেবে তা শনির পাদ এর উপর নির্ভর করে ।
শনির ফল চার প্রকারের ঃ
স্বর্ণ পাদ ----সুখের অভাব রজত পাদ ---যশ ধন প্রাপ্তি তাম্র পাদ ---সামান্য শুভ লৌহ পাদ --ধন সম্পত্তি হানি হানী
সাড়ে সাতি আরম্ভ হবার সময় জন্ম রাশি থেকে যে স্থানে গোচর চন্দ্র হয় এর আধারে পাদ নির্ণয় হয় । জন্ম রাশি থেকে গোচর চন্দ্র ১,৬,১১ তাহলে স্বর্ণপাদ
জন্ম রাশি থেকে গোচর চন্দ্র ২,৫, ৯ তাহলে রজত পাদ
জন্ম রাশি থেকে গোচর চন্দ্র ৭, ১০ তাহলে তাম্র পাদ
জন্ম রাশি থেকে গোচর চন্দ্র ৪,৮ ,১২ তাহলে লৌহ পাদ
যদি কোন ব্যক্তি পাপ কর্ম করে তার ফল তাকে ভোগ করতে হয় ।
নিজের পাপ কর্মের ফল এর শাস্তি শনি দেব দেবে যার জন্য ভগবান শিব তাকে নিযুক্ত করেছে ।
শনি স্তোত্র
Monday, 13 February 2017
শনি মহারাজের রাশি পরিবর্তন
যখন শনি দেব রাশিতে প্রবেশ করে তখন কি ভাবে বুঝব তার লক্ষণ কি ? মুখ্যতঃ যে ভাব কে দেখে তাকে নষ্ট করে দেয় । যখন লঙ্কা তে তার দৃষ্টি পড়ে ছিল সোনার লঙ্কা ছাই হয়ে গিয়েছিল ।এই জন্য বলা শনির দৃষ্টি খারাপ । শনি স্থান বৃদ্ধি করে , গুরু স্থানের হানি করে । ভাবে বা স্থানে বসা তত খারাব নয় যত টা তার দৃষ্টিতে । শনি যখন কোন রাশিতে প্রবেশ করে তার আড়াই বছর তার প্রভাব জমায় । শনি দেব গ্রহের রাজা ।
রাশিতে প্রবেশ করে তিনি মস্তিষ্ক এর অধিকার নেয় এবং চেতনা শক্তি হরণ করে নেয় , এর ফলে মস্তিষ্ক ভ্রমিত হয় । নির্ণয় শক্তি ভ্রমিত হবার ফলে তার নির্ধারিত কাজে ক্ষতি হয় ।
১ মস্তিস্ক বিনা কারনে গরম থাকে , লড়াই করার ভাবনা আসে । ২ নিজের উপর ক্রোধ আসা
৩ ঘরে পয়সা না টেকা , পয়সা আসার আগে যাবার রাস্তা তৈরি ৪ দীর্ঘ ও জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়া
৫ সন্তান সম্পর্কিত কষ্ট ৬ জাতক কে মনে রাখতে হবে সে প্রতারিত করে আমাদের দেহে প্রবেশ করেছেন করেছেন ফল স্বরুপ পারিবারিক কলহ ,অপমান , কলঙ্ক ,দুর্ঘটনা , অকাল মৃত্যু ধন ভাব দিয়ে আমাদের শাসন করেন দণ্ড দেন ।
শনি দেবের বিশেষ মন্ত্র ।
নীলাঞ্জনাং সমাভাসং রবিপুত্র যমাগ্রজম
ছায়ামার্তণ্ড সম্ভূতং তং নমামি শনিশ্চরম ।
Thursday, 26 January 2017
Tuesday, 24 January 2017
শনি দেব
শনির ক্রূরতা সম্পর্কে সকলেই অবহিত । এমন লোক খুব কমই আছে যে শনির নাম শুনে ভীত হয় না । সূর্য দেবের নয় পুত্র এর মধ্যে শনির নাম বিশেষ উল্ল্যেখযোগ্য । সূর্য দেবের পত্নী ছায়ার পুত্র শনি দেবের গায়ের বর্ণ কালো । শনি ছোট বেলা থেকে বদ মেজাজি । সূর্য দেব নিজের রাজ্য তার পুত্র দের মাঝে ভাগ করে দিলেন । প্রত্যেক সন্তান কে এক এক লোকের অধিপতি করে দিলেন । শনি দেব এক লোকের অধিপতি হয়ে খুশি ছিলেন না । তাই তার ভাইদের কাছ থেকে রাজ্য কেড়ে নেবার পরিকল্পনা করলেন । অধিক শক্তি লাভের জন্য তিনি বন্মভা তপস্যা বসলেন তার তপস্যা সন্তুষ্ট হয়ে দেখা দিলেন । তিনি তাকে বর চাইতে বললেন । শনি দেব তখন বললেন ঃ
হে ভগবান ,আমার শুভ দৃষ্টি পড়লে যেমন কারো ধন সম্পত্তি ঘর সন্তান ইত্যাদি সুখি ও সম্পন্ন হয় তেমনি কু দৃষ্টি পড়লে যেন যার উপর পড়বে তার যেন সব ছারখার হয়ে যায় । ব্রন্মভা তাকে বর দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেলেন ।
শনি দেব শক্তি প্রাপ্ত হবার পর শনি দেব তাঁর ভাইদের রাজ্য ছিনয়ে নেওয়ার জন্য তৎপর হলেন । তখন অন্যান্য ভাইরা সবাই পিতা সূর্য দেবের স্মরণাপন্ন হলেন হলেন । সূর্য দেব তখন ভগবান শিবের স্মরণাপন্ন হলেন এবং প্রার্থনা করলেন । সূর্য দেবের প্রার্থনা শুনে শনি দেব কে মারার জন্য নন্দী ও বীরভদ্র কে পাঠালেন । এরা সবাই শনি দেবের কাছে পরাজিত হয়ে ফিরে এলেন । তখন শিব ক্রুদ্ধ হয়ে নিজেই শনির সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য তৃতীয় নয়ন খুললেন । শনি তার মারক দৃষ্টি দিয়ে শিব কে দেখলেন । উভয়ের দিব্য দৃষ্ট জ্যোতিঃ সারা মহাকাশ আচ্ছাদিত হল । এবার শিব তাঁর ত্রিশূলের প্রহারে শনি অবচেতন করলেন । নিজ পুত্র কে মৃত ভেবে শোক গ্রস্ত হলেন এবং শনির জীবন দানের জন্য প্রার্থনা অনুনয় বিনিময় করতে লাগলেন । সূর্যের প্রার্থনা শুনে শিব শনির মুরচ্ছা ভঙ্গ করলেন । শনিদেবে অভিমান ভঙ্গ হল এবং ভগবানের পাদপদ্মে নিজেকে সমরপন করে ক্ষমা চাইলেন ।
শিব তখন প্রসন্ন হয়ে শনি দেব কে নিজের সেবক করে নিলেন এবং তাকে দণ্ডাধিকারি পদ দিলেন ।
শনি দেব ক্রূর হবার ওপর একটি কাহিনী আছে । একবার শনিদেবের পত্নী ঋতুমতী হলেন । ঋতু স্নানের পর তিনি পুত্র কামনায় নিজ পতি দেবের কাছে উপস্থিত হলেন । কৃষ্ণ ভক্ত শনিদেব ঐ সময় কৃষ্ণের ধ্যানে মগ্ন ছিলেন । তার পত্নীর ঋতু ব্যর্থ হয়ে গেল । তিনি রেগে গিয়ে শনিদেব কে অভিশাপ দিলেন যে তোমার দৃষ্টি যার উপর পড়বে তার সর্বনাশ হবে ।
শনির কু দৃষ্টি র কারনে মহাপ্রতাপি বেদজ্ঞ ও মহাপণ্ডিত রাবনের সর্বনাশ হয়েছিল । যদিও শিবের কাছে বর পেয়ে ছিলেন । সূর্য , কুবের , যম বায়ু তার অধিনে । একবার তিনি শনির সাম্রাজ্য আক্রমণ করে তাকে বন্দী করে বন্দী গৃহে তাকে উল্টো করে টাঙ্গিয়ে রাখলেন । রাবনের শক্তির কাছে শনি দেব অসহায় হয়ে পড়েন । কিছু কাল পর সীতা দেবীর খবর নেবার জন্য হনুমান জী লঙ্কায় গেলে শনিদেব তাকে বন্দী দশা থেকে মুক্ত করতে বলেন ।
হনুমান তাকে মুক্ত করলে তার দৃষ্টি তে লঙ্কা পুরি পুড়ে ছাই হয়ে যায় ।
Subscribe to:
Posts (Atom)











